05 March, 2013

শাহবাগ আর জামাত-শিবির- এর মাঝখানে “জনতা” কোথায়?


সবাই যেভাবে দৌঁড়ুচ্ছেন, একটু দাঁড়ান, একটু জিরান,নিজের দিকে তাকান। আপনি কি আপনাকে চিনতে পারছেন? অন্ততঃ আমি অনেককে চিনতে পারছিনা ফর শিউর। যে/যাদেরকে ছোটকাল থেকে দেখে এসেছি, চিনে এসেছি সহনশীল মানুষ হিসেবে, অপরের দুঃখ-কষ্টে সবার আগে এগিয়ে আসার বান্দা হিসেবে, সে/তাদেরকে দেখছি কেমন হিংস্র সব কথাবার্তা বলতে! বিপক্ষ-মতের মানুষদের খুন করার জন্য যেনো তাদের রক্ত টগবগ করে ফুটছে!

04 March, 2013

সাইকোলজিষ্ট হতে মন চায়...


দাখিল পরীক্ষার রেজাল্ট বের হওয়ার পর একজন সাংবাদিক যখন জিজ্ঞেস করেছিলেন 'ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও?' আমি উনাকে উলটা প্রশ্ন করেছিলাম, 'আমি অনেক কিছু হতে চাই, আপনাকে কোনটা বলবো?'

'অনেক-কিছু-হতে-চাই' এর মধ্যে একটা ছিলো সাইকোলজি নিয়ে পড়ালেখা করার ইচ্ছা। আশেপাশের মানুষের অনেক অদ্ভুত আর অবোধগম্য আচড়ন, ব্যবহার দেখে চিন্তা করতাম, সাইকোলজি পড়লে নিশ্চয়ই বুঝতে পারবো মানুষ এমন আচড়ন কেন করে!

আজকাল ফেইসবুক ব্যবহার করতে করতে সে ইচ্ছে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।

দৌঁড়াচ্ছে মানুষ, দৌঁড়াচ্ছে পুরো বাংলাদেশ...


গতকাল মেয়েকে ঘুম পাড়াতে পাড়াতে 'নাৎজী হান্টার' নামে একটা ডকুমেন্টারী দেখছিলাম। দেখতে দেখতে নিজের দেশের কথাও ভাবছিলাম। ভাবনারা সব গুলে-মিলে-একাকার হয়ে যাচ্ছিলো। পৃথিবীতে মানুষের প্রতি মানুষের জাতিগত-দলগত-মতগত-আদর্শগত ঘৃনা নতুন কিছু না আসলে। মানুষের অন্যতম একটা আদিম প্রবৃত্তি ভিন্ন দল-মত-আদর্শের মানুষের প্রতি জিঘাংসা, ঘৃণা, রাগ, সব মিলে তখন মানুষই হয়ে উঠে জানোয়ারের চে' হাজারগুন ভয়াবহ একটা পশু। স্রেফ পশু মাত্র।

একটু আগে ফেইসবুকে Shiblee Mehdi ভাই'র স্ট্যাটাস পড়ছিলাম। আর ভাবছিলাম, তিনি যখন জীবন নিয়ে দৌঁড়ুচ্ছেন, আসলে শুধু তিনি দৌঁড়াচ্ছিলেন না, তার সাথে দেশ দৌঁড়াচ্ছিলো, ষোলকোটি মানুষ দৌঁড়াচ্ছিলো, দেশে-বিদেশে সব বাংলাদেশীরা দৌঁড়াচ্ছিলো। কারন আমরা কেমন যেন একটা ব্ল্যাক-হোলের ভিতর পড়ে গেছি। সবাই অন্ধের মত যে এদিকে পারছি দৌঁড়াচ্ছি! বাঁ-চা-ও...

এ যাবত সর্বোচ্চ পঠিত লেখা-

ছড়া-কবিতা নিয়ে কিছু কথা...

এই ব্লগে "ছোটদের জন্য সংগৃহীত ছড়া/কবিতা" লেবেলে যে ছড়া-কবিতাগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে (হচ্ছে) তা আমার ছোটভাই ফুয়াদ আমিনের নামে উৎসর্গ করা হলো; যে আমাকে ছড়া বলতে শিখিয়েছিল। যাকে ছড়া শোনাতে শোনাতে নিজেই একসময় ঘুমিয়ে যেতাম! কারেন্ট চলে গেলে আম্মুর রুমে খাটের পাশের জানালা দিয়ে আসা চাঁদের আলোয় যে 'আয় আয় চাঁদ মামা' শুনতে শুনতে চাঁদের দিকে আংগুল তুলে অবাক চোখেমুখে বলতো 'তাদ! তাদ!' চাঁদের বুড়ির চরকি কাটার গল্প শোনা ফুয়াদ অবশেষে একদিন নিজেই কেমন করে যেন চাঁদের দেশে চলে গেলো... ফুয়াদ চলে গেলেও আজকের এবং আগামীর সব শিশুরা চাঁদ, আকাশ, ফুল, পাখি আর ছড়ার মেলায় হুড়াহুড়ি করে বেড়ে উঠুক, এটাই প্রত্যাশা...

ছড়া-কবিতার সংগ্রহে বিশেষ কৃতজ্ঞতায়- তারিক রিদওয়ান, বিবেক, সোহায়লা, জিপসী, তরংগ এম ইসলাম, ভাষ্কর চৌধুরী, তুষার কন্যা, তাহসিনা সাঈদা মুন আপু, সাদিয়া হোসাইন, নাজনীন সুলতানা, মামুন এম আযিয, ওস্তাদের ওস্তাদ, মঈন উদ্দীন জাহিদ, নাজলা আপু, ভবঘুরে ঝড়, আলোর ছটা, রেহনুমা ম্যাডাম, আব্দুল্লাহ মাহমুদ নাজিব, Zareen Firdegar.

অনুরোধঃ ছড়াগুলোতে বানান ভুলের সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। ছড়াকারদের নাম পাওয়া যায়নি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। যাদের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা হয়েছে মূলতঃ তাদের স্মৃতি থেকেই যতটুকু যেভাবে পাওয়া গিয়েছে সেভাবেই এখানে তুলে দেয়া হয়েছে। ভুল বানান চোখে পড়লে, অথবা কোনোটির ছড়াকারের নাম জানা থাকলে কমেন্ট আকারে জানাতে পারেন। অথবা নতুন কোনো ছড়া এই সংগ্রহে দিতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন- jajaborrr@হটমেইলডটকম